Digital Product VS Physical Product
আপনার রিসেলিং যাত্রা শুরু করার আগে, প্রথমে বুঝতে হবে যে প্রোডাক্টগুলো প্রধানত দুই ধরনের হয়: ডিজিটাল প্রোডাক্ট এবং ফিজিকাল প্রোডাক্ট। প্রতিটিরই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, সুবিধা এবং মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে। আসুন, এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
ডিজিটাল প্রোডাক্ট কী?
ডিজিটাল প্রোডাক্ট হচ্ছে এমন এক ধরণের প্রোডাক্ট, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় এবং এটি স্পর্শযোগ্য নয়। উদাহরণস্বরূপ, ই-বুক, সফটওয়্যার, অনলাইন কোর্স, মিউজিক, ভিডিও, সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি।
ডিজিটাল প্রোডাক্ট মূলত দুই প্রকারের হয়:
১. ডাউনলোডেবল ডিজিটাল প্রোডাক্ট:
এই প্রোডাক্ট একবার ডাউনলোড করার পর যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: ই-বুক, পিডিএফ ফাইল, ডিজিটাল আর্ট, মিউজিক ফাইল, ভিডিও ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি।
সুবিধা: ব্যবহারকারীরা প্রোডাক্টটি ডাউনলোড করে অফলাইনে ব্যবহার করতে পারে।
২. সাবস্ক্রিপশনাল ডিজিটাল প্রোডাক্ট
এই প্রোডাক্ট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে ব্যবহার করা হয়। এটি মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়।
উদাহরণ: নেটফ্লিক্স, ক্যানভা প্রো, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও ইত্যাদি।
সুবিধা: প্রতি মাসে প্যাসিভ ইনকাম! সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্ট একবার বিক্রি করলে কাস্টমার যদি নিয়মিত মাসিক পেমেন্ট করে, তাহলে আপনি সেই মাসিক পেমেন্ট অনুযায়ী প্রতিমাসে কমিশন পেতে থাকবেন।
সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্টগুলোর মার্কেটে উচ্চ চাহিদা রয়েছে।
সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্টের মাধ্যমে মাসিক ইনকামের সুযোগ
সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্ট যেমন: নেটফ্লিক্স, ক্যানভা প্রো, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও ইত্যাদি যা আপনার আয় স্থায়ী করার এক অনন্য মাধ্যম!
উদাহরণস্বরূপ:
আমাদের ওয়েবসাইটে নেটফ্লিক্সের অরিজিনাল প্রাইস ১০০ টাকা।
ধরুন আপনি এটি ২৫০ টাকায় বিক্রি করলেন।
আপনার কমিশন: ১৫০ টাকা।
প্রতি মাসে যদি কাস্টমার পেমেন্ট চালিয়ে যায়, তবে আপনার কমিশন প্রতি মাসেই ১৫০ টাকা নিশ্চিত।
এভাবে যদি আপনি ১০০ জন কাস্টমারকে সাবস্ক্রিপশন বিক্রি করতে পারেন, তাহলে:
প্রতি মাসে কমিশন = ১৫০ টাকা × ১০০ জন =
মোট আয়: ১৫,০০০ টাকা প্রতি মাসে পার্মানেন্ট।
প্যাসিভ ইনকাম: এরপর কোনো কাজ না করে বসে বসেই প্রত্যেক মাসে এই পরিমান ইনকাম করতে থাকবেন।
ফিজিকাল প্রোডাক্ট কী?
ফিজিকাল প্রোডাক্ট হলো এমন প্রোডাক্ট যা স্পর্শযোগ্য এবং সরবরাহযোগ্য। এগুলো সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
উদাহরণ: পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, প্রসাধনী সামগ্রী, গৃহস্থালী প্রোডাক্ট ইত্যাদি।
সুবিধা: ফিজিকাল প্রোডাক্টের চাহিদা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এবং এটি অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
ডিজিটাল প্রোডাক্টের সুবিধা
ডিজিটাল প্রোডাক্ট রিসেলিংয়ের কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে:
স্টক ম্যানেজমেন্টের দরকার নেই: ডিজিটাল প্রোডাক্ট স্টক ফুরিয়ে যাওয়ার ঝামেলা নেই।
ডেলিভারির ঝামেলা নেই: প্রোডাক্ট সরাসরি অনলাইনে দেওয়া হয়।
উচ্চ মুনাফা: ডিজিটাল প্রোডাক্টের উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় লাভের পরিমাণ বেশি থাকে।
প্যাসিভ ইনকাম: বিশেষ করে সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্ট একবার বিক্রি করলেই আপনি প্রতি মাসে কমিশন পেতে থাকবেন।
সারা বিশ্বে মার্কেট: ডিজিটাল প্রোডাক্ট ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো দেশে বিক্রি করা যায়।
ফিজিকাল প্রোডাক্টের চ্যালেঞ্জ
শিপিং খরচ এবং সময় বেশি লাগে।
স্টক রাখতে হয় এবং পরিচালনা করতে হয়।
রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসি ম্যানেজ করা একটি জটিল প্রক্রিয়া।
আমাদের রিসেলিং প্ল্যাটফর্মের বিশেষ সুবিধা
আমাদের প্ল্যাটফর্ম আপনাকে ডিজিটাল প্রোডাক্ট এবং ফিজিকাল প্রোডাক্ট উভয়ই রিসেল করার সুযোগ দেয়।
কোনো খরচ ছাড়াই রিসেলিং শুরু করুন।
প্রতিটি প্রোডাক্ট বিক্রির উপর কমিশন নিশ্চিত।
বিশেষ করে সাবস্ক্রিপশনাল প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে, ক্রেতা প্রতি মাসে পেমেন্ট করলে আপনি সেই অনুযায়ী প্রতিমাসে কমিশন পেতে থাকবেন।
উচ্চ মানসম্পন্ন এবং চাহিদাসম্পন্ন প্রোডাক্টের সরবরাহ।









0 Reviews:
Post Your Review